পিতার রেখে যাওয়া সব সম্পত্তি খুইয়েও উড়নচণ্ডী বিপিনের হুশ হয়না। কাজেকর্মে মনোযোগ নেই। সংসারের দায়িত্বের প্রতি উদাসিন। এহেন পরিস্থিতিতে তার ছোট ভাই বিনোদ কিশোর বয়সেই সংসারের জোয়াল নিজের কাধে তুলে নেয়। কিন্ত, অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে সংসারের খরচ চালানো দায় হয়ে পড়ে। রোজ রোজ স্ত্রী মনোরমার বাকা কথা হজম করতে না পেরে অনিচ্ছা স্বত্বেও পিতার কর্মস্থল অনাদি চৌধুরির জমিদারিতে নায়েবের দায়িত্ব নেয়। কিন্ত, প্রজাদের অত্যাচার করে খাজনা আদায়ে তার মন সায় দেয়না। বিপিন তার ভাই বিনোদের মৃত্যুর পরে জমিদারের মেয়ে, তার ছোটবেলার খেলার সাথী মানীর উৎসাহে নায়েবী ছেড়ে রোগী দেখা শুরু করে। ডাক্তারী বিদ্যায় তার সম্বল মানীর দেয়া চিকিৎসা শাস্ত্রের একটিমাত্র বই। আবেগি বিপিন নারীর স্নেহ পেলে গলে যায়। বিপিনের জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো তার চিন্তাজগৎ। সাংসারিক দায়িত্ব ও অভাবের গণ্ডির বাইরে গিয়ে তার মন বিভিন্ন স্বপ্নের রাজ্যে বিচরণ করে। এ সময় তার জীবনে আশেপাশের দুই বিবাহিতা নারীর প্রতি একধরণের মানসিক আকর্ষণ ও রোমান্টিক কল্পনার উন্মেষ ঘ...